Breaking News
Home / Lifestyle / বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা নিয়ে অসন্তুষ্ট সালমান এফ রহমান

বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা নিয়ে অসন্তুষ্ট সালমান এফ রহমান

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। তিনি বলেন, অনেক অভিযোগ আসছে। অপ্রয়োজনীয় হয়রানির ঘটনা ঘটছে। প্রধানমন্ত্রী এসবের সমাধান ও সমন্বয়ের কথা বলেছেন।

আজকের পরিদর্শনের পর যদি দেখি অভিযোগের হার কমছে না, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গতকাল সোমবার (৯ মে) শাহজালাল বিমানবন্দরে আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ অসন্তোষের কথা জানান তিনি।

পরিদর্শন শেষে ভিআইপি লাউঞ্জে গণমাধ্যমকর্মীদের সালমান এফ রহমান জানান, হয়রানি ও অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির খবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এ পরিদর্শন। আকস্মিক বিমানবন্দর পরিদর্শনের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বিমানবন্দরে নানা হয়রানি ও অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির খবর প্রকাশ হচ্ছে।

সে জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পরিদর্শনে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পরিদর্শন করে দেখে আসো কী কী সমস্যা বিমানবন্দরে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সচিবও রয়েছেন। শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শনে কোন ধরনের সমন্বয়হীনতা ও অভিযোগের সত্যতা পেলেন, জানতে চাইলে সালমান এফ রহমান বলেন, দুই তিন জায়গায় হয়রানির কথা শুনেছিলাম। কোভিডের সার্টিফিকেট এনেও এখানে দীর্ঘ লাইন হতো। এখানে এখন কিউআর কোড নিয়ে আসায় লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে না। যারা কিউআরকোড আনেন না তারা ভোগান্তিতে পড়ছেন।

অনেকে অভিযোগ করেছেন, যাওয়া ও আসায় ইমিগ্রেশনের সময় টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে পাসপোর্ট সিল করে না। অনেক সময় ইমিগ্রেশনই হয় না বা আননেসেসারি হয়রানি করা হয়। আমরা আজ এসবির চিফকেও নিয়ে আসছি। তিনিও শুনেছেন। এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা পেলে ইমিগ্রেশনের সেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা বলেন, এখানে সরকারি যেসব প্রতিষ্ঠান আছে

তাদের কর্মকর্তাদের আমি আজ বলেছি, ঢাকায় যারা আসে তারা প্রথম বিমানবন্দরেই নামে। এটাই প্রথম এন্ট্রি। এর বাইরে কী হয় সেটা তো পরে। কিন্তু বিমানবন্দরেই যদি অভিজ্ঞতা খারাপ হয় তাহলে কিন্তু বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক বা ইতিবাচক ভাবমূর্তি বা ধারণা তৈরি হয়। এখানে যদি নেতিবাচক ধারণা হয় তাহলে দেশের ইমেজ নষ্ট হয়। এটা বন্ধ করতে হবে। আমাদের দেশে বিদেশি আসছে তার সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা আমাদের করতে হবে।

কাস্টমস সম্পর্কে তিনি বলেন, অনেক যাত্রী সোনা আমদানি করেন। কিন্তু সেটা আনলে ট্যাক্স দিতে হবে। এটাই নিয়ম। কিন্তু ডিক্লারেশনে তারা অ্যামাউন্ট দেয় এরপর টাকা দিতে ব্যাংকে যায়। কাস্টমস থেকে ব্যাংক বেশ দূরে। সে জন্য আমরা সময়ক্ষেপণ বন্ধ করতে কাস্টমস ও ব্যাংক পাশাপাশি আনার কথা বলেছি। কাস্টমস আশ্বস্ত করেছে। আর কাস্টমসে আসা ব্যাগেজ প্রি স্ক্যানিং করা যায় কি না সেটা আমরা পরীক্ষা করতে বলেছি।

কারণ প্রি-স্ক্যানিং করা গেলে কাস্টমসের বাইরের চাপ কমবে। শুধু সেই ব্যাগেজ চেক করা হবে যেটা আগেই স্ক্যান করে মার্ক করা হয়েছে। যেটা বিদেশে হয়। তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরে দেশের ইমেজটা ফুটে ওঠে। বিমানবন্দরের অভিজ্ঞতা যদি খারাপ থাকে, তাহলে শুরুতেই দেশ সম্পর্কে একটা খারাপ অভিজ্ঞতা হয়। এটা যেন না হয়। বিষয়টা নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

About admin

Check Also

বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ বেড়েছে

চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যু ও সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বব্যাপী আরও …

Leave a Reply

Your email address will not be published.